গাইবান্ধা জেলা · রংপুর বিভাগ
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের তীরে গড়ে ওঠা গাইবান্ধা জেলার এই উপজেলা ১৮৭৫ সালে থানা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বাস — কৃষি, চর আর নদীর সঙ্গে মিশে আছে এখানকার জীবন। পোর্টালটি বানানো হয়েছে যাতে এখানকার মানুষ একে অপরকে আর দরকারি সেবাকে সহজে খুঁজে পান।
এক নজরে সুন্দরগঞ্জ
- আয়তন
- ৩৬৯.৮৫ বর্গ কিমি
- অবস্থান
- ২৫°২৪′–২৫°৩৯′ উত্তর অক্ষাংশ, ৮৯°২৪′–৮৯°৪৩′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
- সীমানা
- উত্তরে পীরগাছা, উলিপুর ও চিলমারী; দক্ষিণে গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুর; পূর্বে চিলমারী ও চর রাজিবপুর; পশ্চিমে পীরগাছা, মিঠাপুকুর ও সাদুল্লাপুর
- জনসংখ্যা (২০২২)
- ৪,৮২,৫৩৭ জন (প্রতি ১০০ নারীতে ৯৩.৭ জন পুরুষ)
- জনসংখ্যা (২০১১)
- ৪,৬১,৯২০ জন (পুরুষ ২,২৬,১১৮ জন, নারী ২,৩৫,৮০২ জন)
- জনঘনত্ব (২০২২)
- প্রতি বর্গ কিমিতে প্রায় ১,৩০৫ জন
- শহরে বাস (২০২২)
- ৫৯,৫৯২ জন (১২.৩৫%)
- খানা
- ১,৩২,৭৮০টি (২০২২); ১,২২,০৯৮টি (২০১১)
- শিক্ষার হার (২০২২, ৭+ বছর)
- ৬৪.৮১% (পুরুষ ৬৮.৩২%, নারী ৬১.৫৭%); ২০১১ সালে ছিল ৪০.৬%
- ধর্ম (২০১১)
- মুসলিম ৪,২৩,৭১০ জন, হিন্দু ৩৭,৯৩৫ জন, খ্রিস্টান ৩৮ জন, বৌদ্ধ ১ জন, অন্যান্য ২৩৬ জন
- প্রশাসন
- ১টি পৌরসভা (৯টি ওয়ার্ড, ১৭টি মহল্লা), ১৫টি ইউনিয়ন
- মৌজা ও গ্রাম
- ১১০টি মৌজা, ১৮৯টি গ্রাম
- থানা গঠন
- ১৮৭৫ সাল (উপজেলা: ১৯৮৪)
- পৌরসভা গঠন
- ২০০৩ সাল
- সংসদীয় আসন
- ৩১ নং, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ)
- প্রধান নদী
- তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট
- দূরত্ব
- গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৬ কিমি, রংপুর শহর থেকে প্রায় ৩৩ কিমি
- পোস্ট কোড
- ৫৭২০
- রেলস্টেশন
- বামনডাঙ্গা (লালমনিরহাট–ঢাকা রুটের লালমনি এক্সপ্রেস থামে)
- তিস্তা সেতু
- মওলানা ভাসানী সেতু — হরিপুর থেকে চিলমারী, ১,৪৯০ মিটার, চালু ২০ আগস্ট ২০২৫
- যোগাযোগ
- পাকা সড়ক ১০৮ কিমি, আধাপাকা ১ কিমি, কাঁচা ৫৭৭ কিমি; রেলপথ ১৯ কিমি, নৌপথ ১১ কিমি
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- কলেজ ১৫টি, কারিগরি কলেজ ৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫২টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ২২০টি, মাদ্রাসা ১১৬টি, কিন্ডারগার্টেন ৮টি
- স্বাস্থ্যসেবা
- উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৭টি, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ৮টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ২৬টি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৩টি
- ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
- মসজিদ ৪৯০টি, মন্দির ৬৯টি
- আয়ের প্রধান উৎস
- কৃষি ৭৫.২৩%, ব্যবসা ৮.৭৭%, চাকরি ৩.৮৭%, অকৃষি শ্রমিক ২.৩৫%, পরিবহন ও যোগাযোগ ১.৯২%
- জমির মালিকানা
- কৃষিজমির মালিক ৫৬.৮৩%, ভূমিহীন ৪৩.১৭%
- প্রধান ফসল
- ধান, পাট, গম, পেঁয়াজ, রসুন, তামাক, আখ, সরিষা, ভুট্টা
- প্রধান রপ্তানি পণ্য
- পাট, পেঁয়াজ, রসুন
- খামার
- মৎস্য খামার ১৭৫টি, ডেইরি ৭টি, হাঁস-মুরগির খামার ২৫টি, হ্যাচারি ২টি
- হাট-বাজার
- ৫৫টি; উল্লেখযোগ্য: মীরগঞ্জ, পাঁচপীর, শোভাগঞ্জ, কাঠগড়া ও বেলকা হাট; সুন্দরগঞ্জ ও বামনডাঙ্গা বাজার
- মেলা
- ৭টি; গাজীর মেলা, চড়কের মেলা, শোভাগঞ্জ মেলা, শিব মেলা
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র
- তিস্তা সোলার লিমিটেড — ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, তারাপুর (২০২৩)
- এনজিও
- ব্র্যাক, প্রশিকা, আশা, কেয়ার, স্বনির্ভর বাংলাদেশ
- সংস্কৃতি
- গ্রন্থাগার ৫টি, ক্লাব ৩৫টি, সিনেমা হল ৪টি, নাট্যদল ১৪টি
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ ও ২০২২ এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন। উপজেলার ইতিহাস পড়ুন →
প্রতিটি ইউনিয়নের পরিচিতি ও তথ্য